নোবেল না পেয়ে নরওয়ের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প, বললেন ‘নরওয়ে খুব খারাপ’
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বারবার উপেক্ষিত হওয়া নিয়ে রোববার রাতে নরওয়ের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, নরওয়ে ‘খুব খারাপ’ এবং দেশটি একটি ‘জঘন্য দেশে’ পরিণত হয়েছে।
মিশিগানের পোর্ট হিউরনে এক নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি প্রসঙ্গক্রমে নরওয়ের সমালোচনা শুরু করেন।
অসলোভিত্তিক নোবেল কমিটি দুইবার ট্রাম্পকে পুরস্কারের জন্য পাশ কাটিয়ে গেছে—২০২৫ সালে ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো এবং ২০২৬ সালে শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রসারে কাজের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারক নাভি পিল্লাই এই পুরস্কার পান।
দ্বিতীয় মেয়াদে অন্তত আটটি সংঘাতের নিষ্পত্তি করেছেন বলে দাবি করে ট্রাম্প নিজের শান্তি প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব জোর গলায় তুলে ধরেছেন। সমাবেশে তিনি বলেন, ‘আমার কথা কী? তারা কি দুটি পুরস্কার দেয়? তাই নরওয়েকে আমি ভালোবাসি না। সত্যি বলতে, নরওয়ে খুব খারাপ। নরওয়ে আসলে একটি জঘন্য দেশে পরিণত হয়েছে।’
অভিবাসন প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কাজ ভালো চলছে এবং ডেনমার্ক একটি ‘ভালো দেশ’—সেখান থেকে কেউ যুক্তরাষ্ট্রে আসতে চাইলে তিনি তাতে রাজি। তবে তিনি বলেন, নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার কারণে নরওয়ে থেকে কাউকে তিনি চান না এবং নরওয়ের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতেও তিনি আগ্রহী নন। সোমালিয়া থেকে আসা অভিবাসীদের নিয়েও তিনি কড়া মন্তব্য করেন।
২০২৫ সালের পুরস্কার ট্রাম্প না পেলেও বিজয়ী মাচাদো এ বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে নিজের পদক ট্রাম্পের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। সমাবেশে সেই প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, ‘যিনি পুরস্কারটি পেয়েছিলেন, মারিয়া, তিনি খুব ভালো মানুষ। তিনি বলেছিলেন, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমি এটা পেয়েছি। এটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাওয়া উচিত। তিনি আমাকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে দিয়েছিলেন, খুব সুন্দর ব্যাপার ছিল। আমি এটা ভুলব না।’


