৫ নভেম্বর ৫০৩ উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, খুলনায় প্রস্তুতি দেখলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’র দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন।
সেই লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকালে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ (সিজন-২) উদ্বোধনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করতে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন।
এর আগে একই দিন প্রতিমন্ত্রী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের তৃণমূলে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার জন্যই নতুন কুঁড়ির এ আয়োজন। নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বিজয়ী অনেক ক্রীড়াবিদ এখন বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। আমরা তাদের হারিয়ে যেতে দিতে চাই না, বরং তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা ও পড়াশোনার দায়িত্ব সরকার বহন করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নতুন কুঁড়ির আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গণে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে দেশের সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, বিদ্যমান সামাজিক ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন করতে বর্তমান প্রজন্মকে ক্রীড়াঙ্গণের দিকে ধাবিত করা প্রয়োজন।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ স্টেডিয়ামে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এবং আগামীতে প্রণীত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আসন্ন জানুয়ারি থেকে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সারা বছর খেলাধুলা চলবে।
পরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ (সিজন-২) উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানের সভাপতিত্বে ওই মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন কুঁড়ির দ্বিতীয় আসরে অংশ নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে প্রথম আসরে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা ছিল মাত্র এক লাখ ৬৮ হাজার।
দ্বিতীয় আসরে রেজিস্ট্রেশন করা খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে ৪,৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হবে, যার মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ নতুন কুঁড়ির এই আসরে অংশ গ্রহণ করবে; আগামী বছরের মে বা জুন মাসে এর ফাইনাল রাউন্ড শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

