তিন ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ল সিলেটগামী পাহাড়িকা, চট্টগ্রামে যাত্রীদের বিক্ষোভ
সিলেটগামী পাহাড়িকা ট্রেন নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা পর ছেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রামে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার মুখে যাত্রীরা বিক্ষোভে অংশ নেন বলে জানা গেছে।
ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা ছাড়েনি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে করতে যাত্রীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় এবং একপর্যায়ে তারা প্রতিবাদে সোচ্চার হন।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী যাত্রীদের কাছে পাহাড়িকা একটি গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াত মাধ্যম। কাজ, চিকিৎসা, পড়াশোনা কিংবা পারিবারিক প্রয়োজনে প্রতিদিন অনেক মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন। ফলে ট্রেন ছাড়তে তিন ঘণ্টা দেরি হলে তার প্রভাব পড়ে যাত্রীদের সারা দিনের পরিকল্পনায়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া যাত্রীদের মূল ক্ষোভ ছিল দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ট্রেন ছাড়া না ছাড়ায় স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়তে থাকে।
দীর্ঘ দেরির কারণে অনেক যাত্রীকে স্টেশনেই দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়েছে। সিলেটে পৌঁছানোর পরের কর্মসূচি নিয়েও তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
শেষ পর্যন্ত তিন ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের যাত্রা শুরু হলেও দীর্ঘ দেরির ভোগান্তির অভিজ্ঞতা তাদের সঙ্গে থেকে যায়।
ট্রেনটি কেন এত দেরিতে ছেড়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। দেরির সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও যাত্রীদের বিক্ষোভ থেকেই বোঝা যায়, অপেক্ষা তাদের জন্য কতটা কষ্টকর হয়ে উঠেছিল।
চট্টগ্রাম-সিলেট পথে যাতায়াতকারী যাত্রীদের প্রত্যাশা, এমন দীর্ঘ দেরি যেন বারবার না ঘটে। সময়মতো ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা গেলে যাত্রীদের আস্থা যেমন বাড়বে, তেমনি কমবে স্টেশনকেন্দ্রিক ভোগান্তিও।
সিলেট বিভাগের মানুষের কাছে রেলপথ দীর্ঘদিন ধরেই অন্যতম নির্ভরযোগ্য যাতায়াত মাধ্যম। তাই এই পথের ট্রেন চলাচলে যেকোনো বিঘ্ন সরাসরি ছুঁয়ে যায় অঞ্চলটির হাজারো যাত্রীকে।
পাহাড়িকার এই দেরি ও যাত্রীবিক্ষোভের ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল, যাত্রীসেবার ক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা কতটা জরুরি। যাত্রীরা এখন অপেক্ষা করছেন, পরবর্তী যাত্রাগুলোতে যেন একই ভোগান্তির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।


