নিখোঁজের চার দিন পর পুকুরে মিলল হাত-পা বাঁধা গৃহবধূর মরদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য
সিলেট বিভাগে নিখোঁজের চার দিন পর এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে পুকুর থেকে। উদ্ধারের সময় তাঁর হাত-পা বাঁধা ছিল বলে জানা গেছে—যা এই মৃত্যুকে ঘিরে গুরুতর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
জানা গেছে, ওই গৃহবধূ চার দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে একটি পুকুরে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ মেলায় ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বলেই প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন অনেকে।
হাত-পা বাঁধা অবস্থা সাধারণত তদন্তকারীদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলামতগুলোর একটি। এই অবস্থা ইঙ্গিত দেয়, মৃত্যুর আগে বা পরে ওই নারীর চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল; ফলে ঘটনাটির পেছনে অপরাধমূলক তৎপরতার প্রশ্নটি সামনে এসেছে।
তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই গৃহবধূর নাম-পরিচয়, তিনি ঠিক কোন এলাকার বাসিন্দা এবং পুকুরটির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব তথ্য নিশ্চিত না করে কিছু বলা ঠিক হবে না বলেই মনে করছেন সচেতন মহল।
চার দিনের নিখোঁজ থাকার বিষয়টিও এখন তদন্তের বড় প্রশ্ন। এই সময়ের মধ্যে তিনি কোথায় ছিলেন, কারও সঙ্গে তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছিল কি না এবং নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি বা অভিযোগ করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি হয়ে পড়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্তের মাধ্যমেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পানিতে ডুবে মৃত্যু, নাকি হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলা হয়েছে—ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।
এলাকায় এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে একজন গৃহবধূর এমন পরিণতির খবরে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এখন সবার দৃষ্টি তদন্তের দিকে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া, ময়নাতদন্তের ফল এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলেই এই ঘটনার আসল চিত্র স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বড়লেখা টুডে এই ঘটনার পরবর্তী নিশ্চিত তথ্য পাওয়া মাত্রই পাঠকদের জানিয়ে দেবে। ততক্ষণ পর্যন্ত অনুমানভিত্তিক কোনো তথ্য না ছড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।


