সিলেট সীমান্তে ২২ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই মালামাল আটক
সিলেট সীমান্ত এলাকা থেকে ২২ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই মালামাল আটক করা হয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান ঠেকাতে পরিচালিত অভিযানে এসব মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানা গেছে।
আটক মালামালের মূল্য আনুমানিক ২২ লাখ টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে কোন সীমান্ত পয়েন্ট থেকে ঠিক কোন ধরনের পণ্য আটক হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সিলেট বিভাগের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। পাহাড়, হাওর ও নদীঘেরা এই সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চোরাই পণ্য আসা-যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যা ঠেকাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে থাকে।
চোরাচালানের কারণে একদিকে সরকার বিপুল রাজস্ব হারায়, অন্যদিকে দেশীয় ব্যবসায়ী ও উৎপাদকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। অবৈধ পথে আসা পণ্য বাজারে ঢুকলে বৈধ আমদানিকারকদের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হয় বলেও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ রয়েছে।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, চোরাচালান চক্রগুলো রাতের আঁধার ও দুর্গম পথ ব্যবহার করে পণ্য পাচারের চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে বড় চালান আটকের ঘটনা ঘটলেও চক্রগুলো নতুন নতুন পথ বেছে নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আটক মালামালের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব পণ্যের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সীমান্তে চোরাচালান রোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষ করে যেসব পয়েন্ট দিয়ে বারবার চোরাই পণ্য আসার অভিযোগ রয়েছে, সেসব এলাকায় বাড়তি তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শুধু অভিযান চালিয়ে চোরাচালান পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন; এর সঙ্গে জড়িত মূল চক্রগুলোকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার মানুষের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোও জরুরি বলে তারা মনে করেন।
এর আগেও সিলেট সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ভারতীয় চোরাই পণ্যের বড় চালান আটকের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনার পরই নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হলেও চোরাচালান পুরোপুরি থামেনি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
আটক মালামালের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।



